ব্রাজিল ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচটিকে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে 'হাইভোল্টেজ' ম্যাচ বলা হচ্ছে কারণ এটি ‘গ্রুপ সি’-এর শীর্ষস্থান নির্ধারণী এবং দুই পরাশক্তির লড়াই।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের শুরুতেই রয়েছে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোর কঠিন চ্যালেঞ্জ, যেখানে হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে গ্রুপে কিছুটা পিছিয়ে রাখা হয়েছে।
ম্যাচে যেসব বিষয় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে:
আক্রমণ বনাম জমাট রক্ষণ:
ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়াদের মতো তারকাদের নিয়ে গড়া ব্রাজিলের আক্রমণভাগ এবং আশরাফ হাকিমি ও ব্রাহিম দিয়াজদের নেতৃত্বাধীন মরক্কোর সুশৃঙ্খল রক্ষণ ও কাউন্টার-অ্যাটাকের মধ্যকার লড়াই ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করবে।
নেইমার ও অ্যান্টনির ইনজুরি:
গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ব্রাজিলের তারকা নেইমারকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, যা দলের আক্রমণাত্মক পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
পূর্বের জয়ের আত্মবিশ্বাস:
২০২৩ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারানোর স্মৃতি মরক্কোর খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
রেফারির সিদ্ধান্ত:
টুর্নামেন্টের শুরুতেই স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচকে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যিনি অতীতে বেশ কয়েকটি বড় ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে আলোচনায় ছিলেন।
টিকিটের রেকর্ড চাহিদা:
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বিপুল সংখ্যক দর্শকের তৈরি করা চাপের পরিবেশ সামলানো দুই দলের জন্যই একটি বড় ফ্যাক্টর হবে।