বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম রোমাঞ্চকর এক রাত দেখছে মেটলাইফ স্টেডিয়াম। গ্রুপ ই-র শেষ ম্যাচে মরণ-বাঁচন লড়াইয়ে ইকুয়েডর এই মুহূর্তে জার্মানিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে আছে। জার্মানির বিপক্ষে ২-১ গোল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ইকুয়েডর।
ফ্লোরিয়ান ভির্টজের অ্যাসিস্টে লেরয় সান মাত্র দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন। বিদ্যুৎগতির এই আক্রমণে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় ইকুয়েডর। সান-এর গোল ইকুয়েডরকে কিছুটা মনোবলহীন করলেও নিলসন আঙ্গুলো দুর্দান্ত এক শটে সমতা ফেরান। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে জবাব দিয়ে ম্যাচে ফিরে আসে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
গঞ্জালো প্লাতার গোলে ইকুয়েডর ২-১ গোলে এগিয়ে যায়, এবং দলের বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রা উচ্ছ্বাসে মাঠে ছুটে আসেন। এই গোলটি ইকুয়েডরের নকআউট পর্বের স্বপ্নকে বাস্তবের কাছে এনে দিয়েছে।
৬২ থেক ৬৩ মিনিটের মধ্যে উভয় গোলকিপারই অসাধারণ সেভ করেন। জার্মানির ম্যানুয়েল নয়ার এনার ভ্যালেন্সিয়ার জোরালো শট ঘুষি মেরে সরিয়ে দেন, আর ইকুয়েডরের হার্নান গ্যালিন্দেজ ফ্লোরিয়ান ভির্টজের কাউন্টার অ্যাটাক আটকে দেন। ৫৪ মিনিটে অধিনায়ক মোইসেস কাইসেদো জন ইয়েবোয়ার ক্রস থেকে হেডে শট নেন, তবে কোণ ঠিক না থাকায় বল গোলের বাইরে চলে যায়।
এই টুর্নামেন্টে আজকের আগ পর্যন্ত একটিও গোল করতে না পারা ইকুয়েডর আজ মাত্র ৯ মিনিটেই সমতায় ফেরে এবং ৭৭ মিনিটে এগিয়েও যায়- যা এই বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক। অন্যদিকে, জার্মানি ইতোমধ্যে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে, তাই এই ম্যাচে তাদের চাপ তুলনামূলক কম। কিন্তু ইকুয়েডরের জন্য প্রতিটি মিনিটই এখন বেঁচে থাকার লড়াই।