চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) গতকাল রাতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মারামারি হয় সেখানে আহত ব্যাক্তিকে শাখা ছত্রশক্তির মূখ্য সংগঠক উলফাতুর রহমান রাকিব মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার কারনে তার উপর হামলা চালায় শাখা ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা।
বুধবার ( ১ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে শাখা ছাত্রশক্তির আয়োজনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, মূখ্য সংগঠক উলফাতুর রহমান রাকিবসহ সংগঠনটির অন্যন্যা নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধনে শাখা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে কোনো হামলা, মামলা বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চাই না। আমরা সংঘাত নয়, বরং সংলাপ চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, গতকাল রাতে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফলস্বরূপ আমাদের মুখ্য সংগঠককে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রক্টর মহোদয়কে খুবই বাজেভাবে হামলা করে আহত করা হয়েছে। যারা এই হামলা করেছে তারাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমরা এই নোংরা ও এলাকাভিত্তিক টোকাই রাজনীতি ক্যাম্পাসে নিয়ে আসার চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাই।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলতে চাই, আপনারা যেখানে আমাদের প্রক্টরকেই নিরাপত্তা দিতে পারছেন না, সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন? আমরা স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই হামলার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে জাতীয় ছাত্রশক্তি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে আমরা আরও কঠিন ও কঠোর অবস্থান এবং কর্মসূচি গ্রহণ করব।
শাখার মূখ্য সংগঠক উলফাতুর রহমান রাকিব বলেন, আমি ক্যাম্পাসে সংঘাত এড়াতে একাই বড় ভাইদের সাথে সংলাপে এসেছিলাম। কিন্তু ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মামুন ও বাংলা বিভাগের লিওনসহ ছাত্রদলের কর্মীবৃন্দ আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাকে রক্তাক্ত ও আহত করে। আজ হসপিটালে না থেকে হৃদয়ের রক্তক্ষরণ থেকেই আমি এখানে প্রতিবাদ করতে এসেছি।
তিনি আরও বলেন, পহেলা জুলাইয়ের আন্দোলন আমরা শুরু করেছিলাম ক্যাম্পাসে অস্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করে কলমের শাসন ও সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে। আমরা সংঘাত চাই না, সংলাপ চাই। আপনারা যদি বিগত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের মতো অরাজকতার পুরোনো সংস্কৃতিতে ফিরে যান, তবে দেশের মানুষ আপনাদেরও মেনে নেবে না এবং আপনাদেরও বিদায়ের ঘণ্টা বাজবে।