আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, দিল্লি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার ঘোষণা ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’।

সোমবার (২৯ জুন) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়ার ঘোষণা রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি। সত্যিই যদি সাহস থাকে, তাহলে দেশে এসে জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচার মোকাবিলা করুন।

তিনি জানান, জুলাই হত্যাযজ্ঞ-সংক্রান্ত ১০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। বর্তমানে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এসব মামলায় সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, আমির হোসেন আমু, বিচারপতি মানিক, কামাল আহমেদ মজুমদারসহ অনেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নাম আসামি হিসেবে রয়েছে।

এর আগে রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা এ বছরই দেশে ফেরার কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে ভারতে পালিয়ে যান আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে সে দেশেই রয়েছেন তিনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে ভারতে পালিয়ে যান আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রায় দুই বছর ধরে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে আনা ৫টি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং দুটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন।