যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে সাঈদ সরদার ওরফে চশমা সাঈদ (৪০) নামে এক চিহ্নিত সন্ত্রাসীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি ঝোপের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সাঈদ সরদার ওই গ্রামের নয়া সরদারের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের ঝোপের মধ্যে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝোপের ভেতর সাঈদের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহের পাশে একটি ধারালো চাকুও পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হলে কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ব্যবসা কিংবা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মমিনুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, নিহত সাঈদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।